হিমালয়ের পাদদেশের জেলা দিনাজপুর হঠাৎ করেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে। যদিও তাপমাত্রার পারদ কিছুটা বেড়েছে। শুক্রবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঘন কুয়াশার কারণে দিনাজপুরের সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। অনেককে নতুন করে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে দেখা গেছে।
গত কয়েক দিন ধরে দিনাজপুরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলেও আজ হঠাৎ হিমেল বাতাস, কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রাণীরাও তীব্র শীতে কাহিল হয়ে পড়ছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবারের তাপমাত্রা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানানো হয়নি।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ভালো রোদ উঠছিল। তাপমাত্রা বাড়লেও আজ আবার নতুন করে কুয়াশা পড়েছে। এতে বোরো ধানের বীজতলা ও আলুক্ষেত নিয়ে মানুষ বিপাকে পড়েছে। এই কুয়াশা অব্যাহত থাকলে বীজতলা ও আলুক্ষেত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’
সদর উপজেলার শশরা ইউনিয়নের গহাইর গ্রামের মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘প্রচণ্ড শীতের কারণে বোরো বীজতলা বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। অনেকে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন। আবার অনেকের বোরো চারা প্রস্তুত হলেও শীতের কারণে শ্রমিক না পাওয়ায় রোপণ করতে পারছেন না।’
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, ‘কয়েক দিন ধরে দিনাজপুরে রোদ দেখা যাচ্ছিল। আজ হঠাৎ করে কুয়াশা পড়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
এএইচ/আরএন