ভোলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ভোলা–চরফ্যাসন সড়কের লালমোহন উপজেলার গজারিয়া এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শশীগঞ্জ এলাকার শিল্পী রাণী দাস (৫৫) ও তার ছেলে তুষার দাস (২৫), অটোরিকশা চালক মো. নাসিম (৪৩) এবং উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মো. সোহাগ।
লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারের ডা. আজহার উদ্দিন কলেজ এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালকসহ তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, দুপুরে ভোলা বাস টার্মিনাল থেকে চরফ্যাসনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা বাসটি দুপুর ২টার দিকে গজারিয়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় বাসটি সড়কে থাকা একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। পরে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান।
খবর পেয়ে লালমোহন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও অপর এক জনের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে তাঁদের সকলের বাড়ি ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন ভোলা–চরফ্যাসন মহাসড়কের বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে সোহাগ (২৫) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাওটারি বাড়ির সেলিমের ছেলে।
তার বন্ধু গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মোটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহী তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এএম/এসআর