হার্ট অ্যাটাকের সময় জরুরী মহুর্তে রোগীকে পুষ করা ইনজেকশনের মেয়াদ ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শেষ হয়েছে। প্রায় এক বছর আগে শেষ হওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন বিক্রির জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এছাড়া টিটি নাস ভ্যাকসিনের মেয়াদ ২০২৪ সালের আগষ্ট মাসে শেষ হয়েছে। তার পরেও বিক্রির জন্য সেগুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
মেডিসিন প্লাস নামের এক ফার্মেসীতে গিয়ে ভয়াবহ এমন অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার দুপুরে রাজধানী শাহবাগ এলাকায় অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার। অভিয়ানের নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোজিনা সুলতানা এবং মোঃ আব্দুস সালাম।
অভিযানে দেখা যায়, ডায়াবেটিস পরীক্ষায় ব্যবহৃত কিট এর মেয়াদ শেষ হয়েছে এক বছর আগে। এছাড়া বিদেশি ওষুধ আমদানিকারক ছাড়া মূল্য কাটাছিড়া করে বেশি দামে বিক্রি করছে। ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও সেগুলো বিক্রি করা হচ্ছে।
ভোক্তা স্বার্থ বিরোধী এসব অপরাধে মেডিসিন প্লাস ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এবং ওষধু ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সম্মুখে ব্যবসায়ীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
এছাড়াও অভিযাত ফার্মেসী নামের আরও একটি ফার্মেসীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়ে মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, হার্ট অ্যাটাকের জরুরী মুহুর্তে যদি এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন রোগীর শরীরে পুষ হয়ে যায় তবে রোগীর জীবনহানী ঘটতে পারে। মেডিসিন প্লাস নামের ফার্মেসীতে ভোক্তা স্বার্থ বিরোধী সেনসেটিভ বেশকিছু অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় সতর্কতামূলক ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এবং কড়া ভাষায় ওষধু ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সম্মুখে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে এমন অপরাধ সংঘটিত হলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে।
এসআর