For English Version
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০
Advance Search
হোম সারাদেশ

তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অনুনোমোদিত আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ ৮৪ জনকে অব্যহতি

Published : Sunday, 25 October, 2020 at 10:52 PM Count : 81

অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়ে প্রায় এক বছর চাকরির পর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮৪জন আউটসোর্সিং কর্মচারীকে চাকরি হতে অব্যাহতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কর্মীদের বেতন কম দেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভবিষ্যতে চাকরিতে অন্তর্ভুক্তির আশায় চাকুরিচ্যুত কর্মীরা বর্তমানে বিনাবেতনে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে হাসপাতালে কাজ করছেন ।   

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. খলিলুর রহমান জানান, সাবেক পরিচালক মো. আমীর হোসাইন রাহাত ২০১৯ সালে দুই দফায় ১৭৪জনকে আউটসোর্সিংয়ে চাকরির জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠান। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের ওই তালিকা অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠায়। কিন্তু অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দেয়ার আগেই তৎকালীণ পরিচালক ঠিকাদারের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ে ১৭৪জনকে নিয়োগ দেন। 

পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রণালয় তাদের মধ্যে ৯০ জন অনুমোদন দেয়। ফলে ৮৪জনই অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদনহীন রয়ে যায়। ওই নিয়োগের ৯ মাস পর ঘটনাটি জানার পর ৮৪ জনকে চাকরি হতে অব্যহতি দেন ওই কর্মকর্তা। গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে এবছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত তাদের বেতন দেয়া হয়।

করোনাকালে বিশেষ বিবেচনায় তাদের ওই কর্মকালীন সময়ের বেতন ছাড় করা গেলেও তাদের চাকরি অনুমোদন করা সম্ভব হয়নি। তাই ৮৪ জনকে চাকরি হতে অব্যাহতি দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে ওই ৮৪ জনসহ ১০২ জনকে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগের জন্য আবারো স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠনো হয়েছে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মী জানান, কর্মী নিয়োগের পর বেতন ভাতা পরিশোধের জন্য হাসপাতাল থেকে প্রত্যেক কর্মীর নামে তাদের মোবাইল নাম্বার যুক্ত করে আই.এফ.আই সি ব্যাংকে পৃথক পৃথক হিসাব খোলা হয় এবং সবাইকে হিসাব নাম্বার অনুযায়ী একটি করে চেক বই সরবরাহ করা হয়। কিন্তু মিয়া এন্টার প্রাইজের মালিক মো. আমজাদ হোসেন পলাশ আউটসোর্সিং কর্মীদের নিকট থেকে চেক বইয়ের প্রতিটি পাতায় স্বাক্ষর নিয়ে চেক বই তার হেফাজতে নিয়ে নেন। মাস শেষে ঠিকাদার ওইসব চেক ব্যাংকে জমা দিয়ে কর্মীদের বেতনের সব টাকা তুলে নেন। পরবর্তীতে তাদেরকে টাকা কম দেয়া হয়। 

এব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে চাকরিচ্যুতিসহ নানান ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হয়। ওই ভয়ে তারা কারো কাছে লিখিত অভিযোগ করেন না, মুখও খুলেন না।

মিয়া এন্টার প্রাইজের মালিক মো. আমজাদ হোসেন পলাশ ওই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাকরি হারিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলবে। এটা ধর্তব্য নয়। তারা নিজেরাই তাদের বেতন উত্তোলন করেন। তাদের বেতন কত আর কে কত টাকা পান সেটা তারা প্রত্যেকেই জানেন।

তবে হাসপাতালের পরিচালক মো. খলিলুর রহমান বলেন, টাকা কম দেয়ার বিষয়ে তিনি কোন অভিযোগ পাননি। কেউ অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এমএইচ/এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft